মাসব্যাপী নজরুলজয়ন্তী শুরু

22

সংস্কৃতি প্রতিবেদক।। সামনেই বিদ্রোহী কবি, বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২২তম জন্মবার্ষিকী। মানব মুক্তির সংগ্রামে তিনি গেয়েছেন সাম্যের গান। সাম্যের সমাজ বিনির্মাণে অনুপ্রেরণার অনন্ত উৎস হয়ে আছে তার সেই গান কিংবা কবিতা। কবির জন্মদিন উপলক্ষে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে নজরুল একাডেমি। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে অনুষ্ঠানমালা। অনুষ্ঠান আয়োজিত হচ্ছে ভার্চ্যুয়ালি। গান ও কবিতায় সাজানো ছিল সূচনা  আয়োজন। শুক্রবারের পরিবেশনায় এপার বাংলার শিল্পীদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন ওপার বাংলার শিল্পী। রাত আটটায় একাডেমির ফেসবুক পেজে সরাসরি সম্প্রচারিত হয় নজরুলজয়ন্তীর নিবেদন। সঙ্গীতায়োজনে ঢাকার শিল্পী বদিউজ্জামান বাদল এবং চট্টগ্রামের ফাহমিদা রহমানের সঙ্গে অংশ নেন কলকাতার মঞ্জুষা চক্রবর্তী। শিল্পীত্রয় পরিবেশন করেন নজরুলের নানা আঙ্গিকের গান। শুরুতেই মঞ্জুষা চক্রবর্তী গেয়ে শোনান- আমি নই বিদেশিনী/ওই ঝিলের ঝিনুক বিলের শালুক ছিল মোর সঙ্গিনী…। এরপর একে একে গেয়ে শোনান ‘সুরে ও বাণীর মালা দিয়ে তুমি’, ‘খেলিছো এ বিশ্ব লয়ে’, ‘জগতের নাথ করো পার’সহ কয়েকটি গান। বাকি দুই শিল্পী পরিবেশিত গানগুলোর শিরোনাম ছিল ‘আল্লাতে যার পূর্ণ ইমান কোথা সে মুসলমান’, ‘আধো ধরনী আলো আধো আঁধার’, ‘মনে রাখার দিন গিয়েছে’, ‘আমি যদি আরব হতাম মদিনারই পথ’, ‘শ্যামা নামে লাগলো’ ও ‘মনে পড়ে আজ’। এছাড়া নজরুলের সৃষ্টিকর্ম থেকে কবিতা আবৃত্তি ও ইংরেজী অনুবাদ প্রচারিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নজরুল একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু রহমান।

কাজী নজরুল ইসলামের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে নজরুল একাডেমি আয়োজিত এই ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠান চলবে জুন মাস পর্যন্ত। প্রতিদিন রাত আটটায় একাডেমির ফেসবুক চ্যানেলে পরিবেশিত হবে বাংলাদেশ, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের আমন্ত্রিত শিল্পী ও বক্তাদের গান, কবিতা, নৃত্য পরিবেশনা ও আলোচনা।