ভোলায় পৌর নির্বাচনের প্রচারণায় সংঘর্ষ, আহত ১৫

4

ভোলা থেকে অর্ণব চন্দ্র দে।। ২৭ জানুয়ারি।। আসন্ন ভোলা পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারণাকে কেন্দ্র করে আজ বুধবার সম্ভাব্য দুই কাউন্সিল প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা স্থানীয়ভাবে ও ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

১ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী ভোলা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক অবিনাশ নন্দী ও বর্তমান কাউন্সিলার মোহাম্মদ মঞ্জুর আলমের সমর্থকদের মধ্যে ওই সংঘর্ষ হয়। দুজনই আওয়ামী লীগের সদস্য। এ পৌরসভায় আগামি ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে।

অবিনাশ নন্দী ভোলার একটি হোটেল মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচনী মাঠে নিরাপত্তা বিধান ও হামলাকারীদের বিচার দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আসন্ন ভোলা পৌরসভার নির্বাচনে তিনি ১ নম্বর ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী। তফসিল ঘোষণার পর থেকে ওয়ার্ডের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোট প্রার্থনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার সকালে পৌরসভার ইলিশা বাসস্ট্যান্ড ভদ্রেরপুল এলাকায় কুশল বিনিময় করতে যান। এ সময় তার সঙ্গে ১২-১৪ জন সমর্থক ছিলেন। এ সময় মঞ্জুর আলম ও তার বড় ভাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রাইসুল আলম, ছোট ভাই ছাত্রদলের নেতা মাইনুল আলমের নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। তার মাথায় রড দিয়ে বাড়ি দিলে তিনি এক হাতে প্রতিহত করেন, পরে মাটিতে পড়ে যান। হামলাকারীরা তিনি (অবিনাশ নন্দী) ছাড়াও তার সমর্থক মোস্তফা চৌধুরী, মোহাম্মদ নোমান, পার্থ নন্দী, সুমন দে, মোহাম্মদ টুটুল, শুভ ও শাওনকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম করেন। তাদের মধ্যে সুমন, টুটুল, পার্থ ও নোমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, মঞ্জুর আলম আগে বিএনপি করতেন, সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন।