প্রতীকী মঙ্গল শোভাযাত্রা, ছায়ানটের ভার্চ্যুয়াল অনুষ্ঠান

5

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক।। করোনাভাইরাসের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং লকডাউন বিবেচনা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার বাংলা নববর্ষ সীমিত পরিসরে প্রতীকী কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে চারুকলা অনুষদের শিল্পীদের তৈরি বিভিন্ন মুখোশ ও প্রতীক নিয়ে অনুষদ প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সংক্ষিপ্তভাবে প্রতীকী মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান প্রতীকী এই শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন। এতে আরও অংশগ্রহণ করেন,  বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য  (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিসার হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  শিক্ষক সমিতির সভাপতি  অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়াসহ চারুকলা অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

কোভিড-১৯ এর কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে অত্যন্ত সীমিত পরিসরে বাংলা নববর্ষকে  স্বাগত জানাতে প্রতীকী মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করায় উপাচার্য চারুকলা অনুষদকে আন্তরিক ধন্যবাদ  জানান।

রমনায় ছায়ানটের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ হতে পারেনি, আয়োজিত হয়েছে ভার্চ্যুয়ালি। সত্তুরের দশকে পাকিস্তানি বাধা অগ্রাহ্য করে ছায়ানট বর্ষবরণ সূচনা করে। স্বাধীনতার পর এই অনুষ্ঠান জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়। গত বছরও রমনার অনুষ্ঠান হতে পারেনি।