পাঁচ জনের মধ্যে ভারতীয় ধরন শনাক্ত, হাসপাতাল থেকে করোনা রোগী পালিয়েছে

12

ডেস্ক রিপোর্ট।। বাংলাদেশে আরেকজনের দেহে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বি ১৬১৭ পাওয়া গেছে। রোববার তাদের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সের ফল গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা ডেটার (জিআইএসএআইডি) ডেটাবেসে আপলোড করা হয়। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত পাঁচ জনের মধ্যে ভারতীয় এই ভ্যারিয়েন্টের শনাক্ত হওয়ার তথ্য সেখানে আপলোড করা হয়েছে।

এদিকে যশোর শহরের বলাকা হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারতফেরত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বিমল চন্দ্র শরিয়তপুর সদর উপজেলার পালং এলাকার গৌরাঙ্গ চন্দ্র দের ছেলে। পুলিশ ও স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার জন্য বিমল চন্ত্র ভারতে গিয়েছিলেন।  গত ৮ মে তিনি বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে দেশে ফেরেন। অসুস্থ অবস্থায় ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে বলাকা হোটেলে তাকে রাখা হয়। আজ দুপুরে তিনি হোটেলেই মারা যান।

যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী ভারত থেকে ফেরা যাত্রীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন শেষে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। যাদের করোনা নেগেটিভ প্রতিবেদন আসবে, তারাই কেবল ছাড়পত্র পাবেন। কারণ, কোয়ারেন্টিনে থেকে অনেকে করোনা পজিটিভ হচ্ছেন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে ভারত থেকে ফেরার পর হাসপাতাল ভর্তি করা হলেও পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে বারবার। সর্বশেষ যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যাওয়া ইউনুস আলীর খোঁজ তিন দিনেও পাওয়া যায়নি। গত বৃহস্পতিবার তাকে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে পাঠান। কিন্তু সন্ধ্যার দিকে তিনি ওই হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। জানতে চাইলে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী সায়েমুজ্জামান বলেন, মুঠোফোন ট্র্যাকিং করে পলাতক করোনা রোগীর অবস্থান নির্ণয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। পুলিশের দুটি দল তাকে আটকের জন্যে অভিযান চালাচ্ছে।

কাজী সায়েমুজ্জামান বলেন, যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে দুই দফায় ১১ জন করোনা রোগী পালিয়ে গেছেন। কেন বারবার রোগী পালিয়ে যাচ্ছে, তা তদন্তের জন্যে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় করোনা প্রতিরোধ কমিটির জরুরি সভায় এ বিষয়ে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।