পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী সহিংসতায় পাঁচজন নিহত

14

ডেস্ক রিপোর্ট।। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভার চতুর্থ দফার নির্বাচনে শনিবার (১০ এপ্রিল) সহিংসতা ও সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে চারজনকে নিজেদের দলের বলে দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। আর একজন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও তৃণমূলের মধ্যে চলা সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এদিন পাঁচ জেলায় ৪৪টি আসনে ভোটগ্রহণ করা হয়। খবর প্রথম আলো ও আনন্দবাজারের।

এদিকে বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়, বাবুল সুপ্রিয় ও পায়েল সরকার হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের অভিযোগ, তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে।

শনিবার সকালে কোচবিহারের শীতলকুচির পাঠানটুলিতে তরুণ বর্মণ নামের ১৮ বছরের এক তরুণ প্রথম ভোট দিতে যান। এ সময় ওই কেন্দ্রে ভোট নিয়ে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। গোলাগুলির সময় তরুণ গুলিবিদ্ধ হন। পরে তিনি মারা যান। এ বছরই তিনি প্রথম ভোটার হয়েছিলেন।

কোচবিহারের মাথাভাঙ্গার জোড়াপাটকিতে সকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে চারজন নিহত হয়েছেন। তৃণমূল দাবি করেছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের গুলি করে হত্যা করেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরা বিজেপির পক্ষে কাজ করলে তৃণমূল বাধা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ হয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালায় বলে অভিযোগ করেছে তৃণমূল।

সকালে হুগলির চুঁচুড়ায় বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের গাড়িতে হামলা চালানো হয়। লকেট অভিযোগ করেছেন, তিনি তৃণমূলের হাতে নিগৃহীত হন। তার গাড়ি ভাঙচুর হয়। তৃণমূলের সমর্থকেরা লকেটের বিরুদ্ধে কালো পতাকাও দেখান। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

টালিগঞ্জে বাবুল সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। বিজেপি প্রার্থী পায়েল সরকারও বেহালায় তৃণমূলের কাছে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাওড়া, টালিগঞ্জ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙ্গুরে তৃণমূলের সমর্থকেরা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভোটকেন্দ দখল করে ছাপ্পাভোট দেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় সংঘর্ষ হয়েছে বলে বিজেপি অভিযোগ করেছে। ভাঙ্গুরে আইএসএফ সমর্থকদের ভোট দিতে তৃণমূল বাধা দিয়েছে। আইএসএফ প্রার্থীর ওপরও হামলা চালানো হয়।