নারায়ণগঞ্জে প্রতিবন্দ্বী মেয়েকে ধর্ষণ

7

সংবাদদাতা।। নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলার মোগড়াপাড়া ঋষিপাড়ায় জুলু রাণী নামে এক শারীরিক ও বাক প্রতিবন্দ্বী মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তার পিতা মৃত সেন্টু চন্দ্র দাস। এ ব্যাপারে অভিযোগের আঙ্গুল উঠেছে মোহাম্মদ আবদুল মালেক নামে এক দুর্বৃত্তের দিকে।

জানা গেছে, গত ১৮ জুলাই সকালে অভিযুক্ত মালেক ঋষিপাড়ায় সেন্টু দাসের বাড়িতে ঢুকে সবার ব্যস্ততার সুযোগে জুলু রাণীকে ধর্ষণ করে। চিৎকার শুনে সবাই ছুটে আসেন, জুলুর মামাতো ভাই সুমন মালেককে ধরে চড় থাপ্পর মারেন। মালেক সুমনকে হুমকি প্রদান করে। অবশ্য এর পর পরিবারের সম্মানের স্বার্থে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরদিন মোহাম্মদ মালেক তার কয়েক সহযোগীকে নিয়ে সোনারগাঁও থানাধীন পাঁচ পীর দরগার সামনে রাত সাড়ে আটটার দিকে সুমনের ওপর হামলা করে। সুমন সেখানে কাজে গিয়েছিলেন।  দুর্বৃত্তরা মারধর করে সুমনকে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা করে। সুমন দাস গুরুতর আহত হয়। মালেকের সঙ্গে ছিল মোহাম্মদ নয়ন, মোহাম্মদ ফয়সাল ও মোহাম্মদ রুবেল।

ওইদিনই রাতে একটি ফৌজদারি মামলা  দায়ের করেন সুমনের ছোটভাই। মামলা দায়েরের পর আসামিরা এলাকায় এসে দিবালোকে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করে। এতে পুরো ঋষিপাড়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আসামিরা তাদের পরিত্যক্ত একটি দোকানঘর যেখানে মাদকসেবিরা আড্ডা দিত সেই দোকানে নিজেরাই আগুন লাগিয়ে সাধারণ হিন্দুদের হয়রানি করার নতুন নাটক তৈরি করে, ঘটনা অন্যদিকে ফেরানোর চেষ্টা করে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ নারায়ণগঞ্জ শাখার নেতৃবৃন্দ এ ব্যাপারে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং দুর্বৃত্তদের বিচার দাবি করেছেন।

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান, আমরা অভিযোগ পেয়ে মামলা নিয়েছি, একজন আসামিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।  অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।