দিনাজপুরে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে অনিশ্চয়তা

4

রতন সিং, দিনাজপুর থেকে।। ০৬ মে।। জেলায় করোনার টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের মধ্যে প্রায় ৪১ হাজার দ্বিতীয় ডোজ পাবেন কি না এই নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন অফিসের এক নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে, টিকা পাওয়ার পরেই তারা দ্বিতীয় ডোজ পাবেন। বর্তমান দিনাজপুরে করোনার টিকার মজুত রয়েছে ১৩ হাজার ৫৬০ ডোজ।

দিনাজপুরের সিভিল সার্জন অফিস সুত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ও ১২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ১৪ টি টিকা প্রদানকারী কেন্দ্রে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে করোনা টিকা প্রদান শুরু হয়। জানা যায়, ১৪টি কেন্দ্রে ২৫ শে এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম ডোজের করোনা টিকা নিয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৯৭ জন। এখন প্রথম ডোজের টিকা দেয়া সাময়িক ভাবে বন্ধ রয়েছে। এদিকে জেলার ১৪টি কেন্দ্রে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রয়োজন ২ লাখ ২৩ হাজার ৩৯৪ ডোজ। কিন্তু এখন পর্যন্ত দিনাজপুরে টিকা পাওয়া গেছে ১ লাখ ৮২ হাজার ডোজ। এর মধ্যে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কিছু টিকা নষ্ট হয়েছে। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের দেয়া তথ্য অনুযায়ী প্রথম ডোজ  টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে প্রায় ৪১ হাজার জন আপাতত টিকা পাচ্ছেন না। তবে পর্যায়ক্রমে ঈদের আগ পর্যন্ত মজুত টিকা দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে দেয়া সম্ভব হবে বলে জানান।

দিনাজপুরে প্রথম দফায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ও দ্বিতীয় দফায় ৭ হাজারসহ মোট ১ লাখ ৮২ হাজার ডোজ করোনার টিকা পাওয়া যায়। প্রথম দফায় টিকা নিয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৯৭ জন। ৩ মে পর্যন্ত ৫৮ হাজার ৯১১ জন দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছেন। সিভিল সার্জন বলেন, টিকার জন্য ঢাকার সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সংকটের কারণে দ্বিতীয় ডোজের টিকা না পেলেও প্রথম ডোজ গ্রহনকারীদের কোন সমস্যা হবে না। কারণ প্রথম ডোজ গ্রহনের ফলে ব্যক্তির শরীরে ৪০ ভাগ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়। তবে ৩ মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করলে একজন ব্যক্তির শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ৭০ ভাগ তৈরি হয়।