উলিপুরে আট বছরের শিশু ধর্ষণ

30

কুড়িগ্রাম থেকে সংবাদদাতা।। ০১ এপ্রিল।। উলিপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির এক হিন্দু  শিক্ষার্থী (৮ বছর) ধর্ষণের শিকার হয়ে কুড়িগ্রাম আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, তার চিকিৎসা চলছে। ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত মিলেছে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের রামধন দাশপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ধর্ষিতার পিতা বাদী হয়ে উলিপুর থানায় মামলা দায়ের করার পর তদন্তকারী কর্মকর্তা একদল পুলিশ নিয়ে ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মহুবুর রহমানকে প্রেফতার করেন।

অভিযোগে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে গুনাইগাছ ইউনিয়নের রামধন দাশপাড়া গ্রামের গৌরাঙ্গ রায়ের কন্যা স্কুল বন্ধ থাকায় তার এক বান্ধবীসহ তাদের বাড়ির পাশেই পরিত্যক্ত জমিতে গরুর ঘাস সংগ্রহ করতে যায়। সেখানে আগে থেকেই গরুকে ঘাস খাওয়ানোর জন্য মধ্যবয়সী মহুবুর রহমান (একই গ্রামের মনির উদ্দিনের ছেলে) অবস্থান করছিল। দুই শিশুকে দেখে মহুবুর তাদের কাছে আসে এবং তাদের সঙ্গে কথা বলার এক পর্যায়ে গৌরাঙ্গ রায়ের মেয়েকে জাপটে ধরে। এই ঘটনায় ভীত সন্ত্রস্ত অন্য শিশুটি দৌড়ে গৌরাঙ্গবাবুর বাড়িতে ছুটে এসে তাদের এই ঘটনা জানায়। ওদিকে মহুবুর শিশুটিকে পাশের একটি পানি নিষ্কাশনের নালায় নিয়ে গিয়ে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে তাকে সেখানে রেখে পালিয়ে যায়। আহত শিশুটি কোনো রকমে বাড়ি ফিরে বাবা-মাসহ সবার কাছে এই পৈশাচিক ঘটনার বর্ণনা দেয়। এতে সবাই বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। শিশুটিকে দ্রুত কুড়িগ্রাম আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আজ বুধবার ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উলিপুর থানার এসআই হারিছুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, আদালত ধর্ষিতার জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। মহুবুরের বক্তব্য নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।